প্রথমার্ধে হতাশাজনক পারফরম্যান্সে জাপানের বিপক্ষে এক গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে ব্রাজিল। ম্যাচের শুরুতে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও সেই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে, একটি কার্যকর আক্রমণ থেকেই কাঙ্ক্ষিত গোল তুলে নিয়ে এগিয়ে যায় জাপান।
হিউস্টনের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই ব্রাজিল প্রায় ৭৫ শতাংশ বলের দখল রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায়। তৃতীয় মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কুনহা ও লুকাস পাকেতার একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে গোলশূন্যই থাকে ম্যাচ।
হাইড্রেশন ব্রেকের পর ২৯তম মিনিটে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় জাপান। মাঝমাঠে দানিলোর ভুল থেকে বল পেয়ে দ্রুত এগিয়ে যান সানো। কাসেমিরোকে পেছনে ফেলে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দুর্দান্ত ডান পায়ের শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। তাতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় জাপান।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। পাকেতার ফ্রি-কিক থেকে মারকুইনহোসের হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কুনহার দূরপাল্লার শটও সহজেই রুখে দেন জাপানি গোলরক্ষক সুজুকি।
প্রথমার্ধের শেষদিকে জাপানও পাল্টা আক্রমণে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে। রিতসু দোয়ান ও জুনিয়া ইতোর সমন্বিত আক্রমণে কয়েকবার বিপদে পড়ে ব্রাজিল। তবে শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় জাপান।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...