সংবাদ শিরোনাম :
নাসিকের নবনিযুক্ত প্রশাসক সাখাওয়াতকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাংলাদেশ জুলাই যোদ্ধা সংসদের সচেতন নাগরিক গড়ে তুলতে সাগরের আহ্বান: নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ফতুল্লাবাসীকে সাংবাদিক সুজনের ঈদ শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরের পবিত্র আনন্দে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালেন আলিফ দেওয়ান বক্তাবলি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি বাদশা মিয়ার ঈদ শুভেচ্ছা কুতুবপুর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে আলহাজ্ব মোঃ সালাউদ্দিনের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ফতুল্লা ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে এনআরবি মামুন’কে দেখতে চায় সাধারণ জনগণ আসন্ন বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদ ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী সিরাজ মিয়া সকলের দোয়া প্রার্থী “চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, তবুও থামানো যাচ্ছে না মদনপুরের চাঁদাবাজ গ্যংদের “ ‎চাঁদার দাবিতে ফতুল্লায় এমপি আল আমিনের ক্যাডার আলিফ বাহিনীর তান্ডব, আহত ৭
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন

তাঁরা দুজন সফল হয়েছিলেন, জায়গা পেয়েছিলেন মানুষের হৃদয়ে

স্বপ্নবাংলা নিউজ ডেস্ক / ২২১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

বেগম খালেদা জিয়ার মা তৈয়বা মজুমদারকে জিয়াউর রহমান বললেন, ‘খালাম্মা! আমি আপনার জামাই হতে চাই।’ শুনে মুখ টিপে হাসলেন তৈয়বা মজুমদার। বেগম জিয়ার বাবা বাড়ি ফিরলে তাঁর কাছে তুললেন কথাটা। ইস্কান্দার মজুমদার বললেন, ‘মন্দ কি? ছেলে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন, দেখতে-শুনতে স্মার্ট, তার ওপর আমাদের চেনা-জানা। পুতুলের সঙ্গে ওকে ভালোই মানাবে।’

তরুণ সেনা অফিসার জিয়া মূলত তাঁর নানার মুখে দুঃসম্পর্কের খালাতো বোন পুতুলের রূপের বর্ণনা শুনেই তাঁর প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। জিয়ার নানা মকবুল সাহেব খালেদা জিয়ার রূপ সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন, ‘ওকে অন্ধকার রাতে দেখলে মনে হবে– আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছে।’ জিয়া যখন খালেদা জিয়াকে সরাসরি প্রথমবার দেখলেন, তখন নানার করা মন্তব্যটির যথার্থতার প্রমাণ পেলেন তিনি।

আকদ হয়ে গেল। সময়টা ১৯৬০ সালের আগস্ট মাস। ক্যাপ্টেন জিয়ার বয়স তখন ২৪, আর বেগম জিয়ার ১৫। বর-কনের মধ্যকার বয়সের ব্যবধান ৯ বছরের। দিনাজপুর শহরের মুদিপাড়ার বাসায় কনে সেজে বসে থাকা খালেদা জিয়া তখনও জানেন না– যে তরুণ সেনা অফিসারের সঙ্গে জীবনের গাঁট বাঁধলেন, সে একদিন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হবে। তিনি নিজেও হয়ে উঠবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

এক বছর পর এই দম্পতির বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হলো ঢাকার শাহবাগ হোটেলে, যা আজ পিজি হাসপাতাল নামে সমধিক পরিচিত। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বছর থেকে জিয়ার শাহাদাত বরণ পর্যন্ত সময়ের ব্যবধান মাত্র ২০ বছরের। আবার জিয়ার শাহাদাত থেকে বেগম জিয়ার ক্ষমতারোহণ পর্যন্ত সময়ের ব্যবধান ১০ বছরের। এক অদ্ভুত কাকতালীয়তায় এগিয়ে চলল বাংলাদেশের এই তুমুল আলোচিত দম্পতির জীবন।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১৬ জন মানুষ প্রেসিডেন্টের পদ অলংকৃত করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করেছেন ১০ জন মানুষ। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। সকলকে ছাপিয়ে দুজন শাসককে মানুষ রেখে দিয়েছে তাদের হৃদয়ে; শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। প্রেসিডেন্ট হিসেবে জিয়ার চাইতে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম জিয়ার চাইতে জনপ্রিয় কেউ এখনও আসেনি এদেশের শাসনক্ষমতায়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ ধরে আজ বেগম খালেদা জিয়াও চলে গেলেন। দল হিসেবে বিএনপি একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল আজ থেকে। শহীদ জিয়া এবং বেগম জিয়া; দুজনই এখন গৌরবোজ্জ্বল অতীত। তাঁরা দুজন সফল হয়েছিলেন, জায়গা পেয়েছিলেন মানুষের হৃদয়ে।

 

সংগৃহীত পোস্ট

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..