সংবাদ শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের দোয়া ও মিলাদ বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে ইকবাল হোসেনের শ্রদ্ধা ও দোয়া খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের কর্মসূচি বিএনপির ছাত্রদলের নতুন কমিটি প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে, ঘোষণা যে কোনো সময় বসুন্ধরায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশ খাঁদ পঞ্চায়েতের নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে ফতুল্লা থানার ওসিকে ফুলেল শুভেচ্ছা চাকরি হারিয়েছেন, জেল খেটেছেন—তবুও আদর্শ থেকে একচুলও সরেননি ডা. মুজিবুর রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের দখলে থাকলেও খাল পুনঃখনন হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে বুদ্ধিস্ট কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন

প্রয়াত ভাষাসৈনিক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এ কে এম শামসুজ্জোহার ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

স্বপ্নবাংলা নিউজ ডেস্ক / ২২২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

প্রয়াত ভাষাসৈনিক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এ কে এম শামসুজ্জোহার ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রয়াত ভাষাসৈনিক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বাধীনতা পদকে ভূষিত (মরণোত্তর) এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এ কে এম শামসুজ্জোহার আজ ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী।

প্রয়াত এই জননেতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও চাষাঢ়ায় পারিবারিক বাসভবন হীরা মহলে পবিত্র কোরআনখানি ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ, সব সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রয়াত শামসুজ্জোহা একাধারে গণপরিষদ সদস্য ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদের সদস্য ছিলেন। তাঁর বাবা মরহুম খান সাহেব ওসমান আলীও ছিলেন একজন ভাষাসৈনিক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সাবেক এমএলএ। ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের আদি নিবাস নারায়ণগঞ্জের ‘বায়তুল আমান ভবন’ আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার বীজ বপন করা হয়েছিল। বাংলার মুক্তিসংগ্রাম তথা স্বাধীনতাযুদ্ধের সনদ ‘৬ দফা আন্দোলন’-এর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সঙ্গে প্রয়াত শামসুজ্জোহার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

১৯৬৬ সালের ৮ মে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নারায়ণগঞ্জ বালুর মাঠে বিশাল জনসভায় ৬ দফার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন। ওই জনসভার সভাপতিত্ব করেছিলেন প্রয়াত এ কে এম শামসুজ্জোহা। সেদিন ৬ দফার প্রতীক হিসেবে ছয়টি কবুতর উড়িয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পাঁচটি মশাল জ্বেলে মুক্তিসংগ্রামের শপথ নেন নেতাকর্মীরা। ওই রাতেই বঙ্গবন্ধুকে তাঁর বাড়ি থেকে প্রেপ্তার করা হয়েছিল।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রয়াত শামসুজ্জোহা সর্বপ্রথম হাইকোর্টে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন এবং বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে বিজয়ের বার্তা প্রচার করে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। ওই দিন বিকেলে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা, বঙ্গবন্ধুকন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পাকিস্তানি সেনাদের হাতে আটক বঙ্গবন্ধু পরিবারকে মুক্ত করতে গিয়ে পাকিস্তানি সেনা কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হন। তিনি ১৯৮৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইন্তেকাল করেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় প্রয়াত জননেতা শামসুজ্জোহাকে ২০১২ সালে স্বাধীনতা পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..