সংবাদ শিরোনাম :
আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ক্রীড়া পরিষদের নারায়ণগঞ্জ জেলা আহবায়ক কমিটি ঘোষণা ইয়াবা সেবনের দৃশ্য দেখে ফেলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক  সাখাওয়াত হোসেন খানের জন্মদিন পালন করলেন মহানগর যুবদল নেতা আব্দুর রহমান চাঁদাবাজি-জমি দখলের অভিযোগে ইকবাল হোসেন ও তার বাহিনী, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে ডনকে, তিন দশক পর উন্মোচিত হবে সালমান শাহ হত্যার জট? রুহুল কবির রিজভীকে শুভেচ্ছা জানাতে গেলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন গোল মোহাম্মদ সরদার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রধান উপদেষ্টা হলেন জুয়েল আরমান ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় রুহুল কবির রিজভীকে ফুলেল শুভেচ্ছা কেন্দ্রীয় ও নারায়ণগঞ্জ যুবদল নেতাদের হত্যা মামলার আসামি দেলু প্রকাশ্যে, প্রশাসন নির্বিকার! অডিও ভাইরালের পর নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন মুশিউর রহমান ওএসডি, নতুন দায়িত্বে ডা. সাখাওয়াত
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন

ইয়াবা সেবনের দৃশ্য দেখে ফেলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

স্বপ্নবাংলা নিউজ ডেস্ক / ২৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। এ ঘটনায় দুই মামাতো ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন—মাছুয়াপাড়া এলাকার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস। পুলিশের দাবি, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনের সময় তাদের দেখে ফেলেছিলেন গণপতি চক্রবর্তী। পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যার পর একে একে তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকেও হত্যা করা হয়।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর বিবরণ তুলে ধরেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ।
পুলিশ কমিশনার জানান, মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবন করছিলেন। এ সময় তাদের দেখে ফেলেন গণপতি। নিজেদের পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কায় প্রথমে তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে সিঁড়িতে তার স্ত্রী প্রতিলতা চক্রবর্তীকেও একইভাবে হত্যা করা হয়।
এরপর মাস্টার্স পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রাপ্তির গলায় কাপড় ও রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। সবশেষে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মকেও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।
চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, চারজনকে হত্যার পরও দুই অভিযুক্ত ওই বাড়িতেই রাত কাটায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরদিন সকালে তারা গোসল ও খাওয়া-দাওয়া শেষে বাড়ি থেকে স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় মাটির নিচে পুঁতে রাখে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রাপ্তি ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও দুইজনকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
এ ঘটনায় রংপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..