জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান আসলে আওয়ামী লীগের এজেন্ট—এমনই কঠোর অভিযোগ তুলেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মাজেদুল হক মাজু।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর ফেরদাউস এক সময় শামীম ওসমান পরিবারের ছায়াতলে থেকেছেন। কুখ্যাত গডফাদার শামীম ওসমান, তার ভাই সেলিম ওসমান এবং ছেলে অয়ন ওসমানের সঙ্গে ছিল ফেরদাউসের গা ঘেঁষা সম্পর্ক। এমনকি আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ফেরদাউস স্ব শরীরে নৌকার পক্ষে মাঠে নেমে প্রচারণা চালিয়েছেন।

মাজেদুল হক মাজুর ভাষায়, “ছাত্রজগতের আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার পতন হলে ফেরদাউস রাতারাতি রঙ বদলে আওয়ামী লীগের সমালোচক সাজলেন। অথচ সত্য হলো—তলে তলে তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের নীলনকশা বাস্তবায়ন করছেন। এই ভণ্ডামির রাজনীতি বিএনপি ও গণমানুষ কখনোই মেনে নেবে না।”

তিনি আরও বলেন, “ফেরদাউসের মতো রাজনৈতিক দালালদের কারণে দেশ আজ বারবার প্রতারিত হয়েছে। তার আসল চেহারা মানুষকে জানতে হবে। ফেরদাউস মূলত আওয়ামী লীগের মুখোশধারী এজেন্ট, যার কাজই হচ্ছে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার জন্য ষড়যন্ত্র করা।”

বিএনপি নেতা মাজেদুল হক মাজুর এই বক্তব্য নারায়ণগঞ্জে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকে বলছেন, ফেরদাউস আসলে ক্ষমতার দালালি আর সুযোগসন্ধানী রাজনীতির জঘন্য উদাহরণ।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...