সংবাদ শিরোনাম :
অপপ্রচারের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে যুবদলের বিক্ষোভ: আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে শক্তিমত্তার বিশাল শোডাউন অপপ্রচার ও গুজবের প্রতিবাদে রাজপথে মহানগর যুবদল, নেতৃত্বে হাবিবুর রহমান মাসুদ জাপানের চাপে প্রথমার্ধে পিছিয়ে ব্রাজিল, বিরতিতে ১-০ ব্যবধান অপহরণ করে ৮ লাখ টাকা আদায়’— কৃষকদল নেতা জুয়েল আরমানের গ্রেফতার দাবি, সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০; ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ শুক্রবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ফতুল্লাসহ ৬ এলাকায় ফতুল্লায় ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার খানপুরে ৫৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, একজনের বিরুদ্ধে ৭ ও অন্যজনের ৪ মামলা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অভিযানে দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার চাষাড়ায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন

আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি মজনু-রিপুসহ ৪৮৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মিন্টু ইসলাম বগুড়া প্রতিনিধি: / ১৫১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

বগুড়ায় বিএনপি নেতা মো. মাহাবুবুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে আহত করার অভিযোগে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মজিবুর রহমান (মজনু) ও সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুসহ ১৮৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মামলা অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে আরও ৩০০ জনকে।

আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বগুড়ার শাজাহানপুর আমলী আদালতে এই মামলা করা হয়। আদালত মামলার আবেদন গ্রহণ করে এফআইআর হিসেবে গ্রহণের জন্য শাহাজানপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মামলার আসামীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা টি জামান নিকেতা, রফি নেওয়াজ খান রবিন, একেএম আসাদুর রহমান দুলু, ওবায়দুল হাসান ববি, মাসুদুর রহমান মিলন, সুলতান মাহমুদ খান রনি, শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, জেলা আওয়ামী লীগ ছাড়াও, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়।

বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মামলার বাদি মাহাবুবুর রহমান জানান, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ড্যামি নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শাকপালা এলাকায় ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর কর্মসূচি পালন করছিলেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর নির্দেশে ঘটনাস্থলে ককটেল, পেট্রোল বোমা, গান পাউডার, আগ্নেয়াস্ত্র, পিস্তল, রামদাসহ আমাদের শাস্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেন। এক সময় জেলা আওয়ামী লীগের নেতা রফি নেওয়াজ খান রবিন, মাসুদুর রহমান মিলন ও শুভাশীষ পোদ্দার লিটনের হাতে থাকা পিস্তলের গুলি আমার পায়ে লাগে। এতে আমি গুরুতর আহত হই।

পরে আমি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিই। গুলির কারণে আমার বাম পা চিরতরে পুঙ্গু হয়ে যায়। গত ৫ আগস্টের আগে ফ্যাসিস্ট দলীয় পুলিশ থাকায় আইনগত পদক্ষেপ নিতে দেরি হয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..