সংবাদ শিরোনাম :
খাগকান্দা বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সঙ্গে সখ্যে প্রশ্নবিদ্ধ দলীয় ভাবমূর্তি আড়াইহাজারে বেলায়েতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন নেতাকর্মীরা, সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার জোরালো দাবি। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ক্ষোভ ও সমালোচনা। নানা গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ বিচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের নীতি-আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির প্রশ্নে বেলায়েতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় তাঁর কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগ অনুযায়ী, সহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট হিসেবে পরিচিতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, একাধিক মামলায় কারাভোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এত গুরুতর অভিযোগে সমালোচিত একজন ব্যক্তির সঙ্গে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ চলাফেরা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠেছে, দলের পদ-পদবি কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঢাল, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাও? রাজনীতিতে নেতৃত্বের পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নেতার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার চিত্র। অথচ বেলায়েতের সঙ্গে বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সখ্য নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ায় খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে দলের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, সেই দলের একজন সভাপতির সঙ্গে গুরুতর অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বেলায়েতকে ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কোনো নেতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। তাঁর কর্মকাণ্ড যদি দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বেলায়েত এলাকায় আর কী কী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তাঁদের মতে, শুধু সহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নয়, বেলায়েতের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডও দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির কারণে যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলের তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা নেতৃত্বের দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে দলীয় উচ্চপর্যায়ের নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলছেন তাঁরা। খাগকান্দাবাসীর প্রত্যাশা, ব্যক্তির চেয়ে দলীয় আদর্শ ও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো ব্যক্তি যেন দলের সুনাম ও নেতাকর্মীদের আস্থার ক্ষতি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি স্পষ্ট, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা। ‎যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর যুবদলের ব্যাপক প্রস্তুতি ‎ ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেল ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী চার ঘণ্টার প্রচেষ্টায় পরিবারের কোলে ফিরল চার বছরের আবদুল্লাহ, মানবিকতার দৃষ্টান্ত সদর উপজেলা প্রশাসনের ফতুল্লায় ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে ৩ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি, ৬ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ মাহাবুব হোসেন কাশিপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত রিয়াদ মোঃ চৌধুরী বিজয় সরণিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে পঙ্গু, দুস্থ ও পথশিশুদের জন্য ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপির ভাই সানজিদ হাসনাত গ্রেফতার ফতুল্লা রিপোর্টার্স ক্লাবের দুই যুগ পূর্তি উদযাপন
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন

ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে  দিয়েছে – জামায়াতের  সেক্রেটারী জেনারেল 

স্বপ্নবাংলা নিউজ ডেস্ক / ১০২৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে। গত ১৬ বছর এ দেশে কোনো  গণতন্ত্র ছিলো না। ছিলো আওয়ামী একনায়কতন্ত্র।

তারা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ধ্বংস করেছে।  বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে।

গতকাল ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বরপা আনন্দপল্লী  কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ  জেলা শাখা আয়োজিত  দিনব্যাপী সদস্য  (রুকন) শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষাশিবিরে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর আলহাজ্ব মমিনুল হক সরকার।

বক্তব্য রাখেন  কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আব্দুল জব্বার,  তা’মিরুল মিল্লাত মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মিজানুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী ও  কর্ম পরিষদ সদস্য আবু সাঈদ মুন্না,  জামায়েত ইসলামীর এডভোকেট ইসরাফিল, আবু হানিফ, হারুনুর রশিদ প্রমুখ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আরো বলেন,শেখ হাসিনার সরকার আলেম ওলামাদের উপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চালিয়েছে ।  জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দিয়েছে। পলাতক শেখ হাসিনা সম্পর্কে তিনি বলেন- এখনো তারা এই দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে। এদেশের ছাত্র-জনতা জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের মাধ্যমে যেভাবে তাদের পতন ঘটিয়েছে ঠিক সেভাবেই আগামীতে তাদের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে ।  দেশে এখনো সংস্কার বাকী আছে, তবে সংস্কারের জন্য দীর্ঘ সময় নেয়ার কোন সুযোগ নেই, যতটুকু সংস্কার করার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন করা যাবে ততটুকু সময় সংস্কারের জন্য দেয়া হবে।

ভারতীয় আগ্রাসন ও বাংলাদেশ দূতাবাসে হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন- স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জামায়াতে ইসলামী সব সময় কাজ করে গেছেন আগামীতেও কাজ করবে, দেশের বিরুদ্ধে যারাই অবন্থান করবে তাদের বিরুদ্ধে এদেশের জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ করা হবে।

 

মোঃ আবু কাওছার মিঠু

রূপগঞ্জ ( নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

খাগকান্দা বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সঙ্গে সখ্যে প্রশ্নবিদ্ধ দলীয় ভাবমূর্তি আড়াইহাজারে বেলায়েতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন নেতাকর্মীরা, সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার জোরালো দাবি। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ক্ষোভ ও সমালোচনা। নানা গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ বিচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের নীতি-আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির প্রশ্নে বেলায়েতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় তাঁর কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগ অনুযায়ী, সহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট হিসেবে পরিচিতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, একাধিক মামলায় কারাভোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এত গুরুতর অভিযোগে সমালোচিত একজন ব্যক্তির সঙ্গে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ চলাফেরা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠেছে, দলের পদ-পদবি কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঢাল, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাও? রাজনীতিতে নেতৃত্বের পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নেতার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার চিত্র। অথচ বেলায়েতের সঙ্গে বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সখ্য নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ায় খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে দলের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, সেই দলের একজন সভাপতির সঙ্গে গুরুতর অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বেলায়েতকে ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কোনো নেতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। তাঁর কর্মকাণ্ড যদি দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বেলায়েত এলাকায় আর কী কী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তাঁদের মতে, শুধু সহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নয়, বেলায়েতের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডও দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির কারণে যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলের তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা নেতৃত্বের দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে দলীয় উচ্চপর্যায়ের নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলছেন তাঁরা। খাগকান্দাবাসীর প্রত্যাশা, ব্যক্তির চেয়ে দলীয় আদর্শ ও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো ব্যক্তি যেন দলের সুনাম ও নেতাকর্মীদের আস্থার ক্ষতি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি স্পষ্ট, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।

খাগকান্দা বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সঙ্গে সখ্যে প্রশ্নবিদ্ধ দলীয় ভাবমূর্তি আড়াইহাজারে বেলায়েতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন নেতাকর্মীরা, সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার জোরালো দাবি। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ক্ষোভ ও সমালোচনা। নানা গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ বিচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের নীতি-আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির প্রশ্নে বেলায়েতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় তাঁর কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগ অনুযায়ী, সহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট হিসেবে পরিচিতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, একাধিক মামলায় কারাভোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এত গুরুতর অভিযোগে সমালোচিত একজন ব্যক্তির সঙ্গে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ চলাফেরা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠেছে, দলের পদ-পদবি কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঢাল, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাও? রাজনীতিতে নেতৃত্বের পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নেতার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার চিত্র। অথচ বেলায়েতের সঙ্গে বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সখ্য নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ায় খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে দলের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, সেই দলের একজন সভাপতির সঙ্গে গুরুতর অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বেলায়েতকে ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কোনো নেতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। তাঁর কর্মকাণ্ড যদি দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বেলায়েত এলাকায় আর কী কী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তাঁদের মতে, শুধু সহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নয়, বেলায়েতের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডও দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির কারণে যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলের তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা নেতৃত্বের দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে দলীয় উচ্চপর্যায়ের নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলছেন তাঁরা। খাগকান্দাবাসীর প্রত্যাশা, ব্যক্তির চেয়ে দলীয় আদর্শ ও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো ব্যক্তি যেন দলের সুনাম ও নেতাকর্মীদের আস্থার ক্ষতি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি স্পষ্ট, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।