সংবাদ শিরোনাম :
অন্যায়ের কাছে জামায়াত মাথা নত করবে না ” ~ ডা. শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগের ছিল কোটা, আর বিএনপির হলো নির্লজ্জ দলীয়করণ’- সাদিক কায়েম নারায়ণগঞ্জ রেড ক্রিসেন্টের প্রথম নির্বাচনে নবী-টিপু প্যানেলের জয় ইবিতে সোলার প্যানেল স্থাপনের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি প্রদান ফতুল্লায় আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র ও গুপ্ত হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ফতুল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে যুবদল নেতা আলম মাহমুদের সরব উপস্থিতি ফতুল্লায় যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন নিন্ম আয়ের অসহায় মানুষ চাষাঢ়ায় মহানগর যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাসেল মাহমুদের শুভেচ্ছা, সংগঠন শক্তিশালী করার অঙ্গীকার খাগকান্দা বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সঙ্গে সখ্যে প্রশ্নবিদ্ধ দলীয় ভাবমূর্তি আড়াইহাজারে বেলায়েতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন নেতাকর্মীরা, সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার জোরালো দাবি। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ক্ষোভ ও সমালোচনা। নানা গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ বিচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের নীতি-আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির প্রশ্নে বেলায়েতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় তাঁর কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগ অনুযায়ী, সহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট হিসেবে পরিচিতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, একাধিক মামলায় কারাভোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এত গুরুতর অভিযোগে সমালোচিত একজন ব্যক্তির সঙ্গে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ চলাফেরা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠেছে, দলের পদ-পদবি কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঢাল, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাও? রাজনীতিতে নেতৃত্বের পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নেতার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার চিত্র। অথচ বেলায়েতের সঙ্গে বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সখ্য নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ায় খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে দলের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, সেই দলের একজন সভাপতির সঙ্গে গুরুতর অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বেলায়েতকে ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কোনো নেতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। তাঁর কর্মকাণ্ড যদি দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বেলায়েত এলাকায় আর কী কী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তাঁদের মতে, শুধু সহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নয়, বেলায়েতের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডও দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির কারণে যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলের তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা নেতৃত্বের দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে দলীয় উচ্চপর্যায়ের নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলছেন তাঁরা। খাগকান্দাবাসীর প্রত্যাশা, ব্যক্তির চেয়ে দলীয় আদর্শ ও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো ব্যক্তি যেন দলের সুনাম ও নেতাকর্মীদের আস্থার ক্ষতি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি স্পষ্ট, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

অন্যায়ের কাছে জামায়াত মাথা নত করবে না ” ~ ডা. শফিকুর রহমান

ইবি প্রতিনিধি / ৩৩ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশ, মাটি ও মানুষকে ভালোবেসে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার গণরায় অবমাননা করে জাতির সঙ্গে অন্তহীন প্রতারণা করেছে। জামায়াত কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না এবং আধিপত্যবাদের সামনে কোনো দিন আত্মসমর্পণ করবে না।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ১১ দলীয় জোটের অনুষ্ঠিত ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লং মার্চে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “যে লড়াইয়ে আমরা নেমেছি, মহান আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি- কোনো অন্যায়ের কাছে আমরা মাথা নত করব না। যাদের নেতৃবৃন্দ হাসতে হাসতে ফাঁসির মঞ্চে ওঠার সাহস রাখে, তাদেরকে রক্তচক্ষু দেখিয়ে লাভ হবে না। মাথা সোজা করেই এ জাতি দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ।”

শিক্ষাঙ্গনগুলোর পরিবেশ প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, অতীতের ‘গণরুম’ ও ‘গেস্ট রুম’ কালচারের অপসংস্কৃতি দূর করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র নয়, কলম তুলে দেয় বলেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রশিবিরকে ভালোবাসে।

তিনি আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে দেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ছাত্রশিবির প্রমাণ করেছে তারা মেধা ও প্রজ্ঞার চর্চায় বিশ্বাসী। সেখানে গণরুম ও অপসংস্কৃতিকে শিক্ষার্থীরা ঝাড়ুপিটা করে বিদায় দিয়েছে। এখন শিক্ষার্থীরা মেধার ভিত্তিতে নিরাপদে ও সম্মানের সাথে হলে থেকে পড়াশোনা করতে পারছে।

তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা কুশিক্ষা নয়, সুশিক্ষা চাই। যে শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের সন্তানদের এক ঘণ্টাও বেকার থাকতে হবে না, বরং তারা দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে পারবে।”

জনগণের অধিকার ও গণরায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে অতীতেও কেউ পার পায়নি, ইতিহাস তার সাক্ষী। এ সময় তিনি সরকারের অসংগতি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এর আগে সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে লংমার্চ শুরু হয়। ঢাকা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও যশোর জেলা পরিক্রমা শেষে কুষ্টিয়ায় এসে লংমার্চটির যাত্রা শেষ হয়।

 

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

খাগকান্দা বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সঙ্গে সখ্যে প্রশ্নবিদ্ধ দলীয় ভাবমূর্তি আড়াইহাজারে বেলায়েতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন নেতাকর্মীরা, সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার জোরালো দাবি। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ক্ষোভ ও সমালোচনা। নানা গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ বিচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের নীতি-আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির প্রশ্নে বেলায়েতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় তাঁর কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগ অনুযায়ী, সহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট হিসেবে পরিচিতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, একাধিক মামলায় কারাভোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এত গুরুতর অভিযোগে সমালোচিত একজন ব্যক্তির সঙ্গে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ চলাফেরা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠেছে, দলের পদ-পদবি কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঢাল, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাও? রাজনীতিতে নেতৃত্বের পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নেতার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার চিত্র। অথচ বেলায়েতের সঙ্গে বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সখ্য নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ায় খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে দলের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, সেই দলের একজন সভাপতির সঙ্গে গুরুতর অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বেলায়েতকে ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কোনো নেতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। তাঁর কর্মকাণ্ড যদি দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বেলায়েত এলাকায় আর কী কী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তাঁদের মতে, শুধু সহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নয়, বেলায়েতের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডও দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির কারণে যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলের তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা নেতৃত্বের দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে দলীয় উচ্চপর্যায়ের নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলছেন তাঁরা। খাগকান্দাবাসীর প্রত্যাশা, ব্যক্তির চেয়ে দলীয় আদর্শ ও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো ব্যক্তি যেন দলের সুনাম ও নেতাকর্মীদের আস্থার ক্ষতি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি স্পষ্ট, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।