সংবাদ শিরোনাম :
অন্যায়ের কাছে জামায়াত মাথা নত করবে না ” ~ ডা. শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগের ছিল কোটা, আর বিএনপির হলো নির্লজ্জ দলীয়করণ’- সাদিক কায়েম নারায়ণগঞ্জ রেড ক্রিসেন্টের প্রথম নির্বাচনে নবী-টিপু প্যানেলের জয় ইবিতে সোলার প্যানেল স্থাপনের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি প্রদান ফতুল্লায় আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র ও গুপ্ত হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ফতুল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে যুবদল নেতা আলম মাহমুদের সরব উপস্থিতি ফতুল্লায় যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন নিন্ম আয়ের অসহায় মানুষ চাষাঢ়ায় মহানগর যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাসেল মাহমুদের শুভেচ্ছা, সংগঠন শক্তিশালী করার অঙ্গীকার খাগকান্দা বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সঙ্গে সখ্যে প্রশ্নবিদ্ধ দলীয় ভাবমূর্তি আড়াইহাজারে বেলায়েতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন নেতাকর্মীরা, সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার জোরালো দাবি। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ক্ষোভ ও সমালোচনা। নানা গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ বিচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের নীতি-আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির প্রশ্নে বেলায়েতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় তাঁর কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগ অনুযায়ী, সহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট হিসেবে পরিচিতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, একাধিক মামলায় কারাভোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এত গুরুতর অভিযোগে সমালোচিত একজন ব্যক্তির সঙ্গে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ চলাফেরা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠেছে, দলের পদ-পদবি কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঢাল, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাও? রাজনীতিতে নেতৃত্বের পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নেতার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার চিত্র। অথচ বেলায়েতের সঙ্গে বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সখ্য নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ায় খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে দলের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, সেই দলের একজন সভাপতির সঙ্গে গুরুতর অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বেলায়েতকে ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কোনো নেতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। তাঁর কর্মকাণ্ড যদি দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বেলায়েত এলাকায় আর কী কী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তাঁদের মতে, শুধু সহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নয়, বেলায়েতের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডও দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির কারণে যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলের তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা নেতৃত্বের দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে দলীয় উচ্চপর্যায়ের নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলছেন তাঁরা। খাগকান্দাবাসীর প্রত্যাশা, ব্যক্তির চেয়ে দলীয় আদর্শ ও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো ব্যক্তি যেন দলের সুনাম ও নেতাকর্মীদের আস্থার ক্ষতি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি স্পষ্ট, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগের ছিল কোটা, আর বিএনপির হলো নির্লজ্জ দলীয়করণ’- সাদিক কায়েম

ইবি প্রতিনিধি / ৩৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

আওয়ামী লীগের ছিল কোটা, আর বিএনপির হলো নির্লজ্জ দলীয়করণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, সরকারি নিয়োগে দলীয়করণের মাধ্যমে মেধাবীদের বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে বিএনপি সরকার। এ ধরনের দলীয়করণই দলটির পতনের কারণ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ৮টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।এসময় উপস্হিত ছিলেন (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলীসহ সংগঠনটির নেতাকর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। উক্ত পথসভায়, সাদিক কায়েম বলেন, “জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়েও একইভাবে দলীয়করণের মাধ্যমে মেধাকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে, সরকার বেকার যুবকদের পেটে লাথি মারতে চায়, তারা পিএসসি দলীয়করণ করছে। ৪৫০ এসপি , ৪ হাজারের অধিক এনএসআইসহ বিভিন্ন পদে তারা নিয়োগ দিবে, এই নিয়োগে কোনো ধরনের রিটেন হবে না, ভাইবার মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে দিবে। তাদের পিএসসি দলীয়করণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ২৭তম বিসিএসের মতো সরকারি নিয়োগে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দিয়ে মেধাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা।”

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে অর্জিত প্রত্যাশা পূরণ না করে সরকার শহীদদের রক্তের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও মুকাদ্দেসের গুমের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি তাঁদের সন্ধান ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। সেই সাথে গুম অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদ করেন।

ছাত্র সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যাশা ছিল। ডাকসুসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন হলেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও নেতৃত্ব বিকাশের জন্য দ্রুত ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান তিনি। এ দাবিতে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

এ ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে তাঁরা রাজপথে নেমেছেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে তাঁদের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের আহ্বানে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার জন্য প্রস্তুত থাকার কথা জানান তিনি।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

খাগকান্দা বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সঙ্গে সখ্যে প্রশ্নবিদ্ধ দলীয় ভাবমূর্তি আড়াইহাজারে বেলায়েতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন নেতাকর্মীরা, সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার জোরালো দাবি। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ক্ষোভ ও সমালোচনা। নানা গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ বিচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের নীতি-আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির প্রশ্নে বেলায়েতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় তাঁর কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগ অনুযায়ী, সহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট হিসেবে পরিচিতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, একাধিক মামলায় কারাভোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এত গুরুতর অভিযোগে সমালোচিত একজন ব্যক্তির সঙ্গে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ চলাফেরা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠেছে, দলের পদ-পদবি কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঢাল, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাও? রাজনীতিতে নেতৃত্বের পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নেতার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার চিত্র। অথচ বেলায়েতের সঙ্গে বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সখ্য নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ায় খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে দলের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, সেই দলের একজন সভাপতির সঙ্গে গুরুতর অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বেলায়েতকে ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কোনো নেতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। তাঁর কর্মকাণ্ড যদি দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বেলায়েত এলাকায় আর কী কী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তাঁদের মতে, শুধু সহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নয়, বেলায়েতের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডও দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির কারণে যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলের তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা নেতৃত্বের দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে দলীয় উচ্চপর্যায়ের নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলছেন তাঁরা। খাগকান্দাবাসীর প্রত্যাশা, ব্যক্তির চেয়ে দলীয় আদর্শ ও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো ব্যক্তি যেন দলের সুনাম ও নেতাকর্মীদের আস্থার ক্ষতি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি স্পষ্ট, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।

খাগকান্দা বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সঙ্গে সখ্যে প্রশ্নবিদ্ধ দলীয় ভাবমূর্তি আড়াইহাজারে বেলায়েতের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন নেতাকর্মীরা, সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার জোরালো দাবি। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েতকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ক্ষোভ ও সমালোচনা। নানা গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ বিচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের নীতি-আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তির প্রশ্নে বেলায়েতের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় তাঁর কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। স্থানীয়ভাবে আলোচিত অভিযোগ অনুযায়ী, সহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট হিসেবে পরিচিতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, একাধিক মামলায় কারাভোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এত গুরুতর অভিযোগে সমালোচিত একজন ব্যক্তির সঙ্গে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ঘনিষ্ঠতা ও অবাধ চলাফেরা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠেছে, দলের পদ-পদবি কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঢাল, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাও? রাজনীতিতে নেতৃত্বের পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নেতার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার চিত্র। অথচ বেলায়েতের সঙ্গে বিতর্কিত সহিদুল্লাহর সখ্য নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ায় খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে দলের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, সেই দলের একজন সভাপতির সঙ্গে গুরুতর অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বেলায়েতকে ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কোনো নেতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। তাঁর কর্মকাণ্ড যদি দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বেলায়েত এলাকায় আর কী কী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তাঁদের মতে, শুধু সহিদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নয়, বেলায়েতের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডও দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তির কারণে যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলের তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা নেতৃত্বের দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে দলীয় উচ্চপর্যায়ের নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলছেন তাঁরা। খাগকান্দাবাসীর প্রত্যাশা, ব্যক্তির চেয়ে দলীয় আদর্শ ও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো ব্যক্তি যেন দলের সুনাম ও নেতাকর্মীদের আস্থার ক্ষতি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি স্পষ্ট, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, বেলায়েতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।